জগন্নাথপুরে ভারী যানবাহন চলাচলে বেহাল জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪ ০১:০৫

জগন্নাথপুরে ভারী যানবাহন চলাচলে বেহাল জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে বালি, সিমেন্ট, মাটি সহ বিভিন্ন ভারী যানবাহন চলাচলে রানীগঞ্জ-হলিকোনা সড়কের একমাত্র সংযোগ সড়ক বেহাল দশা হয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে ওই এলাকার সাধারণ মানুষকে। এমনকি শিক্ষার্থী সহ সবাই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রানীগঞ্জ বাজারের খাদ্য গোদামের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া রাস্তায় বালি, সিমেন্ট, মাটি সহ বিভিন্ন ভারী যানবাহন চলাচলে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এখানে প্রতিদিন শতশত ভারি যানবাহন ট্রাক লোড নিয়ে চলাচল করে। যে সব ট্রাক লোড ৪৫/৫০ মেঃ টন মালামাল ওজনসহ কাঁচা পাকা রাস্তায় চলাচলের কারণে রাস্তাগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ওইসব রাস্তা ৫/৭ টন ওজনের ধারণ ক্ষমতা থাকলেও ভারি যানবাহন চলছে প্রতিদিন যা দেখার যেন কেউ নেই।

অভিযোগ উঠেছে, রানীগঞ্জ বাজারের থেকে বাগময়না গ্রামের ব্লকের কাজে প্রতিদিন ধারন ক্ষমতার থেকে বেশি মালামাল নিচ্ছেন ঠিকাদার স্বপন হাজীর লোকজন। স্থানীয়রা বাঁধা দিলে তাদের কথা শুনছেনা এই কাজে থাকা লোকজন। সম্প্রতি সময়ে রানীগঞ্জ কলেজ, রানীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, রানীগঞ্জ মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চলাচল বেশি সমস্যা পড়তে হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা হীরা মিয়া, রুবেল আমিন, লয়লুছ মিয়া সহ আরো অনেকেই জানান, ভারি মালামাল নিয়ে ট্রাকগুলো ধারণ ক্ষমতার অধিক বহন করে। এই লোডের গাড়ী গুলো চলাচলের কারণে এই রাস্তা দিয়েও আমাদের মত সাধারণ মানুষ চলতে পারেনা, বড় বড় গর্ত হওয়া প্রত্যেক দিন এখানে যানবাহন গুলো আটকে যায়। যানবাহন আটকে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ ব্যাপারে জানতে ঠিকাদার স্বপন হাজীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা তিনি বলেন, আমাদের গাড়ী গুলো চলাচলের জন্য রাস্তায় বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হচ্ছে। প্রথম দিকে আমরা এই রাস্তায় কিছু ইট দিয়ে রাস্তা মেরামত করেছিলাম। পরে আবার গর্ত হয়েছে আজও আমার দুটি গাড়ী মাল নিয়ে আটকা পরে আছে। আমার লোকদের বলে দিছি তারা কিছু ইট দিয়ে রাস্তা মেরামত করতে।

এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা এলজিআইডি প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন বলেন, আমাদের এই রাস্তা দিয়ে ভারি যানবাহন যাচ্ছে স্থানীয়রা অনেকেই আমাকে ফোন দিয়ে বলছেন। এ ব্যাপারে আমাদের নির্দেশনা আছে ৫ থেকে ৭ টনের বেশি মালামাল নিতে পারবে না। আমি ইউএনও স্যারের সাথে আলাপ করবো এ বিষয়টি দেখার জন্য তারা যেহেতু রাস্তা নষ্ট করছে তারা রাস্তা মেরামত করে দিতে হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ