হোটেল শ্রমিকের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে ও মুক্তরি দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার, ০৩ মে ২০২৪ ০৭:০৫

হোটেল শ্রমিকের নামে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে ও মুক্তরি দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

সুরমাভিউ:-  মহান মে দিবসের কর্মসূচী পালনকে কেন্দ্র করে মালিকদের রোষানলের শিকার হন সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

৩ মে (শুক্রবার) বিকেল ৫টায় সুরমা পয়েন্ট হতে এক বিক্ষোভ দক্ষিণ সুরমা হয়ে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির সভাপতি মনির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং জেলা দপ্তর সম্পাদক বদরুল আজাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ননের সভাপতি মো. ছাদেক মিয়া, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলার দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটু, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সরকার, শাহপরান থানা কমিটির সভাপতি খোকন আহমদ, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা কমিটির আহবায়ক শুভ আজাদ শান্ত, সিলেট জেলা স’মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির সভাপতি মনির উদ্দিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মুমিন রাজু।

সমাবেশে বক্তারা বলেন মে দিবসের কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের নামে হোটেল ভাংচুরের মিথ্যা মামলা দেয় কতিপয় মালিক গোষ্ঠী। মে দিবসের দিন শ্রমিকরা ছুটিতে মে দিবসের কর্মসূচীতে থাকলে প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা ও বন্ধ রাখা নিয়ে মালিকদের মধ্যে রেষারেষি শুরু হলে এর জের ধরে হোটেল ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। কিন্তু দক্ষিণ সুরমা মালিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ কথিত মালিক আব্দুল মালিক সম্পুন্ন ভিত্তিহীনভাবে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের নামে ষড়যন্ত্রমূলক, হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। তিনি মামলায় আড়াই লক্ষ টাকা লোটপাটের কথা উল্লেখ করেছেন এ প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, কতটুকু হাস্যরসাতœক হলে তিনি এ ধরনের অভিযোগ আনেন, যেখানে রেস্টুরেন্টে বেশিরভাগ শ্রমিক ছুটিতে সেখানে উনার হোটেল থেকে আড়াই লক্ষ টাকা লুট হওয়ার অভিযোগ আনা হাস্যকর ও সম্পুন্ন ভিত্তিহীন। ১মে ভাংচুরের পর হোটেলের মালিক উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ভাংচুরকারী সকলে বহিরাগত তারা কেউই হোটেল শ্রমিক নয়। যার ভিডিও এখনও অনলাইনে রয়েছে। কিন্তু দূভাগ্যজনক হলেও সত্য দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় উল্লেখ্যকৃত ৮জনই হোটেল শ্রমিক এবং সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাগর মিয়া ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি শাহিন আহমদ-কে তাদের কর্মস্থল আপ্যায়ন রেস্টুরেন্ট থেকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার দিনের মালিকের বক্তব্য ও মামলায় হোটেল শ্রমিককে কর্মরত অবস্থায় গ্রেফতার করা প্রশ্নসাপেক্ষ। ২মে দুপুরে শ্রমিকনেতারা গ্রেফতার হলে তাৎক্ষণিভাবে প্রতিবাদ বিক্ষোভ করে সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন।

বিক্ষোভ থেকে নেতারা শ্রমিকদের উপর দায়েরকৃত উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত নেতাদের মুক্তির দাবি জানান।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ