দোয়ারাবাজারে রাস্তা নির্মাণে অনিয়ম, এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ০২ নভে ২০২৩ ০৮:১১

দোয়ারাবাজারে রাস্তা নির্মাণে অনিয়ম, এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে কাজ বন্ধ
দোয়ারাবাজার(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:-  সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের মহব্বতপুর বাজার থেকে রাবার ড্যাম পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দুপুরে স্থানীয় জনগণের হস্তক্ষেপে নির্মাণ কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয় ঠিকাদার।
স্থানীয়দের অভিযোগ পরিমানে কম সিমেন্ট,নিম্ন মানের বালু,মাটি যুক্ত ইট দিয়ে রাস্তার গাইড ওয়ালের কাজ করতে থাকেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গাইড ওয়ালে ১০ ইঞ্চি ইটের গাথুনীতে যেনো সিমেন্ট না দিয়েই কাজ করা হচ্ছিলো। ক্ষিপ্ত হয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন  এলাকাবাসী।
স্থানীয় জনতা তাদের সঠিক নিয়মে কাজ করতে বললেও দায়সারাভাবে কাজ করতে থাকেন তারা। এক পর্যায় এলাকাবাসীর তোপের মুখে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হন।
জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অধিনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সড়ক মেরামত ও সংরক্ষণের আওতায় ১ কোটি ২৮ লাখ ৭৩ হাজার ৭ শত ৯৯ টাকা ব্যয়ে মহব্বতপুর বাজার থেকে রাবার ড্যাম পর্যন্ত ১ কিলোমিটার (আরসিসি)রাস্তার কাজ পায় মেসার্স আক্তার হোসেন এন্টারপ্রাইজ নামের দোয়ারাবাজারের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। আনুষ্ঠানিক ভাবে ৩ নভেম্বর স্থানীয় সংসদ সদস্য  রাস্তার কাজ উদ্ভোধন করার কথা থাকলেও গত ২৫ অক্টোবর থেকে রাস্তার গাইড ওয়ালের কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজের শুরুতেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এমন অনিয়ম আর দূর্নীতিতে ক্ষিপ্ত স্থানীয় জনসাধারণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফোঁসে উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রফিক আহমদ বলেন বলেন, এতটুকু রাস্তা নির্মাণে কাজের শুরুতেই দুইনম্বরি করা শুরু করে দিয়েছেন ঠিকাদার। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কয়েকবার বলার পরেও তারা শোনেনি। কোনো উপায় না পেয়ে এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা রাজিব হোসেন জানান, নির্মাণ কাজ শুরুতেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গাঁথুনিতে সিমেন্ট না দিয়েই কাজ শুরু করছেন তারা। স্থানীয়রা বাঁধা দেয় তবুও কাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারের লোকজন সেটা দেখেও না দেখার ভান করছেন।
স্থানীয়দেের দাবী অনিয়ম দূর্নীতি বন্ধ করে সঠিক নিয়মে যেনো জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির কাজ করা হয়।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক আক্তার হোসেন  বলেন, আমার কাজ ইটের কাজ। স্থানীয়দের দায়িত্বে কাজটি করা হচ্ছে। কাজে অনিয়ম হলে তাদের দূর্বলতা। আমার তো কিছু নেই।
এবিষয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নেহের নিগার তনু জানন, বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ