বিশ্বনাথে পলায়নের ২০ দিন পর প্রেমিকসহ গৃহবধু উদ্ধার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টো ২০২৩ ০৭:১০

বিশ্বনাথে পলায়নের ২০ দিন পর প্রেমিকসহ গৃহবধু উদ্ধার

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:-  প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার ২০ দিন পর কথিত প্রেমিকসহ গৃহবধু সোমা আক্তার (২০)’কে উদ্ধার করেছে সিলেটের বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।

গৃহবধু সোমার স্বামী বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের বাইশঘর গ্রামের খেজুর মিয়ার পুত্র সিজিল মিয়ার দায়ের করা সাধারণ ডায়েরী (জিডি) মূলে গৃহবধুসহ তার প্রেমিক সাহেল আহমদ (২৩)’কে মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে এয়ারপোর্ট থানার উমদার পাড়া গ্রামের ফারুক মিয়ার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। ফারুক মিয়ার পুত্র হচ্ছেন সাহেল আহমদ।

এদিকে, সোমা আক্তার প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার পর ঘটে আরেক নাটকিয় কাহিনী। উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম নুনু মিয়া ও সোমার স্বামী সিজিল মিয়া’কে অভিযুক্ত করে সোমা আক্তারকে ‘অপহরণ ও গুম করে রাখার’ অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৮ অক্টোবর সিলেটের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে ওই মামলাটি দায়ের করেন গৃহবধু সোমা আক্তারের মা সৈয়দা বেগম (৪৩)।

বিশ্বনাথ সিআর মামলা নং ৩৯১/২০২৩ইং। মামলার বাদী (সৈয়দা) পৌর শহরের পূর্ব চান্দশির কাপন গ্রামের সৈয়দ জুবেদ মিয়ার স্ত্রী। আর মামলা দায়ের পর গত ৪ দিন ধরে উপজেলা চেয়ারম্যান ও সিজিল মিয়ার উপর এই অপহরন মামলা নিয়ে চলছে তুলপাড়।

অন্য দিকে একই দিনে (৮ অক্টোবর) স্ত্রী নিখোঁজের ঘটনায় বিশ্বনাথ থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন সোমা আক্তারের স্বামী সিজিল মিয়া। সাধারণ ডায়েরী নং ৩৪২ (তাং ৮.২০.২৩ ইং)। ডায়েরীতে তিনি উল্লেখ করেন গত ২০ সেপ্টেম্বর সকালে কাউকে কোন কিছু না বলে তার স্ত্রী সোমা আক্তার বাসা থেকে উধাও হয়ে যান। আর এই ডয়েরী মূলে প্রেমিক সাহেল আহমদ (২৩)’সহ গৃহবধু সোমা আক্তারকে উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

এব্যাপারে ওসমানীনগর সার্কেল (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) আশরাফুজ্জামান বলেন, স্বামীর জিডি মূলে উদ্ধার করে তাদেরকে বিকেলে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ