শাটডাউন কি !

প্রকাশিত:শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১ ০৩:০৬

করোনায় সংক্রমণ ঠেকাতে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি সারাদেশে ১৪ দিনের শাটডাউনের সুপারিশ করেছে।বৃহস্পতিবার ( ২৪ জুন) কমিটির সভা’পতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

বিভিন্ন স্থানে দিন’মজুর থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শাট’ডাউন নিয়ে আলোচনা চলছে। এটা এখন ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’। লকডাউন শব্দটি এবং এর প্রয়োগ সম্পর্কে ধারণা থাকলেও শাট’ডাউন সম্পর্কে কারো ধারণা না থাকায় এত আলোচনা।

এ সময় পুরান ঢাকার এক বাসিন্দা বলেন, ‘শাটডাউন কীভাবে বাস্তবায়ন হবে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয়া প্রয়োজন। আল্লাহ জানেন, সামনের দিন’গুলোতে কপালে কী আছে! শাটডাউন বলতে কী বোঝানো হয়েছে জানতে চাইলে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ বলেন, ‘শাটডাউন মানে হচ্ছে সবকিছু বন্ধ থাকবে, শুধু জরুরি সেবা ছাড়া। অফিস-আদালত, বাজার’ঘাট, গণ’পরিবহনসহ সব বন্ধ থাকবে। সবাই বাসায় থাকবে।’
অধ্যাপক সহিদুল্লাহ বলেন, দিল্লি এবং মুম্বাইতে শাটডাউন দিয়ে ভাল ফলাফল পেয়েছে। সেখানে ছয় সপ্তাহ গণ’পরিবহন বন্ধ ছিল, এছাড়াও দিল্লিতে আরও ছিল তিন সপ্তাহ। দিল্লিতে প্রতিদিন একসময় ২৮ হাজার শনাক্ত হতেন, কিন্তু এখন সেখানে ১৫০ শনাক্ত হচ্ছেন। মৃত্যুও কমে এসেছে।

জরুরি সেবা বলতে, ওষুধ, ফায়ার সার্ভিস, গণ’মাধ্যম ছাড়া সবকিছু দুই সপ্তাহ বন্ধ করে মানুষ যদি এই স্যাক্রি’ফাইস-কষ্টটুকু মেনে নেয়, তাহলে আগামীতে ভালো হবে। নইলে এখন যেভাবে শনাক্ত প্রতিদিন বাড়ছে, সেটা কোথায় যাবে তা সহজেই অনুমেয়।

এর আগে পরা’র্মশক কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ও জনগণের জীবনের ক্ষতি প্রতিরোধ করার জন্য কমিটি সর্ব’সম্মতিক্রমে সারাদেশে কমপক্ষে ১৪ দিন সম্পূর্ণ ‘শাটডউন’ দেওয়ার সুপারিশ করছে। জরুরি সেবা ছাড়া যান’বাহন, অফিস-আদালত সহ সবকিছু বন্ধ রাখা প্রয়োজন। এ ব্যবস্থা কঠোর’ভাবে পালন করতে না পারলে আমাদের যত প্রস্তুতিই থাকুক না কেন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অ’প্রতুল হয়ে পড়বে।