দুদকের তদন্ত শুরু তাহিরপুরের সাবেক ইউএনও পদ্মাসনের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত:বুধবার, ১৬ জুন ২০২১ ০৮:০৬

তাহিরপুর প্রতিনিধি:-  সুনামগঞ্জের তাহিরপুর হতে বদলিকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেই (ইউএনওর)’র বিরুদ্ধে দুদকের দেয়া অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।

সোমবার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)মো. জসীম উদ্দিন সরজমিনে এসে তদন্ত কাজ শুরু করেন। ইউএনও নিজেও সোমবার তাহিরপুর উপজেলা সদরে অবস্থান করেন। (ইউএনও) পদ্মাসন সিংহকে সম্প্রতি জেলার তাহিরপুর হতে জগন্নাথপুর উপজেলায় বদলি করা হয়।

দুদক অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) থাকা অবস্থায় পদ্মাসন সিংহ উপজেলার বড়দল উওর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য গোলাম কিবরিয়া ওরফে কিবরিয়া মেম্বারের সাথে যোগসাজশে মহাল বহি:র্ভুত নদী হতে অবৈধভাবে উক্তোলিত বালু নিলামে বিক্রির প্রক্রিয়া করে সিন্ডিক্যাটের মাধ্যমে গোপনে বিক্রি করে সরকারি মুল্য, ভ্যাট আয়কর সহ রাজস্ব ফাঁকির পায়তারা করেন।

এ মর্মে দুর্নীতি দমন কমিশন,প্রক্রিয়া কার্যালয় অভিযোগটি দুদক কার্যালয়ের ২০২০ সালের ১৯ আগষ্ট তারিখে ১৫৯৬৭ নং স্মারকে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসককে প্রতিবেদনের প্রেরন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্যঃ ২০২০ সালে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো তাহিরপুরের মাহারাম, শান্তি মহাল বিহিন নদী হতে অবৈধভাবে উক্তোলন করা কয়েক কোটি টাকার বালু জব্দ করেন।

এরপর নিলাম আহবান করা হলেও কৌশলে ইউএনওকে ব্যবহার করে নিলাম ভন্ডুল করায় একটি সিন্ডিক্যাট।পরবর্তীতে ইউএনওর সাথে গোপন সমঝোতায় সরকারি কাজের অজুহাত তৈরী করে কিবরিয়া মেম্বার টনা কয়েকমাস ট্রলার ( নৌযান) বোঝাই করে সরকারি মুল্য, ভ্যাট আয়কর বা কোন রকম রাজস্ব ছাড়াই কোটি টাকার বালু সরিয়ে নিয়ে অনত্র বিক্রি করে দেন।

(ইউএনও) পদ্মাসন সিংহ’র মুঠোফোনে বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি।

সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. জসীম উদ্দিনের নিকট তদন্ত অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন ,সরজমিনে তদন্ত কাজ প্রায় শেষ করেছি এখন জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার পর তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ